অনলাইনে চাইল্ড সেক্স সংক্রানত্দ ছবিসমূহ পূর্বের যেকোন সময়ের তুলনায় দ্রম্নত এবং সসত্দায় দেখা যায় বলে হুঁশিয়ারি জানিয়েছে ইন্টারনেট ওয়াচডগ ফাউন্ডেশন। শিশু যৌনচারের সাথে জড়িত ব্যাক্তিগন বিভিন্ন ফ্রি ইমেজ শেয়ারিং ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কাস্টমারের কাছে অশস্নীল ছবিগুলো পৌঁছে দিচ্ছে বলেও জানায় সংস্থাটি। এই ধরনের বানিজ্য সম্প্রসারনে বিভিন্ন প্রকার বস্নগ, ম্যাসেজ বোর্ড এবং সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটের ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে। ইন্টারনেট ওয়াচ ফাউন্ডেশন জানায়, “অবৈধ ইমেজ বিতরন, বিক্রয় এবং মজুদকরন বিপজ্জনকভাবে অনলাইন সার্ভিসে পরিনত হয়েছে। বর্তমানে উক্ত সংস্থাটিতে যে হারে অভিযোগকারীরা সংখ্যা বাড়ছে সে হিসাবে পর্নো ছবি বিতরনকারী আন্ডারগ্রাউন্ড ইন্ডাস্ট্রির সঠিক সংখ্যা অনুমান করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে। অশস্নীল কর্মকান্ডের শিকার হওয়া ৭২ শতাংশেরই বয়স ১০ বছরের কম এবং প্রায় ৪৪ শতাংশ ছবিতেই পাওয়া যায় ধর্ষন এবং যৌন নির্যাতনের দৃশ্য। এসব কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ওয়েবসাইটগুলো অটোমেটেড সফটওয়্যারের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ইন্টারনেট হোস্ট ব্যবহার করে থাকে যার ফলে তাদেরকে চিহ্নিত করা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। অনেকে অন্যের সাইট হ্যাক করে সেখানে অশস্নীল তথ্য উপাত্ত জমা করে এবং কাস্টমারকে স্পাম মেইল এলার্ট প্রদান করে। অনুসন্ধানকারীগন মোট ৪৬১টি পৃথক ব্রান্ড চিহ্নিত করতে সৰম হয়েছেন যেগুলো বিশ্বব্যাপী শিশুদের ছবি বিক্রি করে থাকে।
শীর্ষস্থানীয় ১০টি ব্যান্ডের আওতায় রয়েছে ৬৬০টি ওয়েবসাইট। এর মধ্যে আবার বৃহত্তম ব্রান্ডটির অধীনে রয়েছে ১০২টি ওয়েবসাইট। ওয়াচডগ চ্যারিটি ২০০৯ সালে সংশিস্নষ্ট কতর্ৃপৰের কাছে ৮৮৪৪ টি শিশু নির্যাতন মামলা রিপোর্ট করেছে যার পূর্ববর্তী বছরের সংখ্যা ছিল ৮০৪৪। ইন্টারনেট ওয়াচ ফাউন্ডেশন এর প্রধান বলেন, “আমরা যেসব ম্যাটেরিয়েল নিয়ে কাজ করি তার প্রায় অর্ধেক বানিজ্যিক লেনদেনের সাথে জড়িত।” শিশু যৌন নির্যাতনের ছবির ক্রমবর্ধমান চাহিদার কথা উলেস্ন্যখ করেন তিনি। তবে ইন্টারনেটের মাধ্যমে যে হারে অশস্নীল কর্মকান্ড বেড়ে চলছে, তাতে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কতখানি সুস্থ মানসিকতা নিয়ে জীবন ধারন করতে তা এখন একটি প্রশ্ন হয়েই থাকছে।
-মাহফুজুর রহমান মুকুল







