আজকাল নগদ টাকা নিয়ে ঘুরাঘুরি করা মোটেও নিরাপদ নয়। এছাড়া যে কোন সময় টাকার প্রয়োজন হতে পারে, বিশেষ করে ব্যাংক চলাকালীন সময়ের পর। সেৰেত্রে এটিএম কার্ডের মাধ্যমে ২৪ ঘন্টা টাকা তোলার সুবিধা রয়েছে। আর এই সুবিধার জন্য নগদ টাকা বহনের বিকল্প হিসেবে রয়েছে নানা রকমের কার্ড। এ কার্ড এর মধ্যে রয়েছে ক্রেডিট কার্ড, ডেভিট কার্ড, কিউক্যাশ, ই-ক্যাশ, রেডিক্যাশ ইত্যাদি। এই কার্ডের মাধ্যমে যেমন এটিএম (অটেমেটেড টেলর মেশিন) থেকে যে কোন সময় টাকা উঠানো যায়। ঠিক তেমনি যে কোন বড় শপিং সেন্টার থেকে কার্ড দিয়ে জিনিসপত্র কেনা যায়। আজ কাল ঢাকা শহরে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস পত্র কেনার জন্য পিকিউএস, আগোরা, মিনা বাজার, প্রিন্স বাজার, স্বপ্ন এর মত প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে মানুষ ক্রেডিট কার্ড দিয়ে জিনিস পত্র কিনতে দেখা যাচ্ছে অহরহ। এই কার্ড ব্যবহারের বিভিন্ন দিক নিয়ে কম্পিউটার বার্তার এবারের প্রচ্ছদ প্রতিবেদন ‘কার্ড কালচার’।
কার্ডের মাধ্যমে অর্থ লেনদেন এর পুরো প্রক্রিয়াটি একটি কম্পিউটার নিয়ন্ত্রিত মেশিনের মাধ্যমে ঘটে থাকে।
ই-ক্যাশ (ইজি ক্যাশ ) কার্ড :
দেশের বেশ কিছু ব্যাংক একত্রে ই-ক্যাশ সার্ভিস চালু করেছে। এই ব্যাংকগুলোর যে কোন একটিতে একাউন্ট থাকলে ই-ক্যাশ কার্ডের মাধ্যমে ২৪ ঘন্টা টাকা তোলা যায়। এই ব্যাংকগুলোর মধ্যে রয়েছে -অগ্রনী ব্যাংক, কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলন, ব্যাংক এশিয়া, ঢাকা ব্যাংক, ইসলামী ব্যাংক, ন্যাশনাল ক্রেডিট এন্ড কমার্স ব্যাংক, সাউথইস্ট ব্যাংক, দি ওরিয়েন্টাল ব্যাংক এবং সোস্যাল ইসলামী ব্যাংক লিঃ ইত্যাদি এই ই-ক্যাশ কার্ড নির্দিষ্ট এটিএম বুথে ব্যবহার করে ২৪ ঘন্টার মধ্যে যে কোন সময় টাকা তোলা এবং একাউন্ট ব্যালেন্স জানা যায়। এছাড়া বিভিন্ন ইউটিলিটি বিলও পরিশোধ করা যায়।
ক্রেডিট কার্ড :
ক্রেডিট কার্ড হল এক ধরনের পাতলা পস্নাষ্টিক কার্ড। এতে সনাক্তকারী তথ্য যেমন সিগনেচার অথবা ছবি থাকে। কার্ডের এসব তথ্য অটোমেটেড টেলর মেশিন (এটিএম) সহজে পড়তে পারে। 
এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিয়ার তথ্য মতে ১৯২০ সালে আমেরিকাতে প্রথম ক্রেডিট কার্ড চালু হয়। তখন চেইন হোটেল, তেল কোম্পানী তাদের ব্যবসা ৰেত্রে গ্রাহকদের এই ধরনের কার্ড সরবরাহ করতো। দ্বিতীয় বিশ্ব যুদ্ধের পর এর ব্যবহার বাড়তে থাকে। প্রথম ইউনিভার্সেল ক্রেডিট কার্ড যা স্টোরে এবং ব্যবসা ৰেত্রে ব্যবহৃত হয়, তার সূচনা করেছিল ১৯৫০ সালে ডিনার্স ক্লাব। এই পদ্ধতিতে ক্রেডিট কার্ড কোম্পানী কার্ড হোল্ডারকে মাসিক বা বাৎসরিক ফি এবং বিল পাঠাতো। ১৯৫৮ সালে আমেরিকান এক্সপ্রেস ব্যাংক এই ধরনের কার্ডের সূচনা করে।
ডেবিট কার্ড ঃ
ডেবিট কার্ড অনেকের কাছে ব্যাংক কার্ড কিংবা চেক কার্ড নামে পরিচিত। ডেবিট কার্ড মূলত নগদ টাকার পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কার্যগত ভাবে এই কার্ডকে ইলোকট্রনিক চেকও বলা যায়। আপনার ব্যাংক একাউন্টে যে পরিমান অর্থ জমা থাকবে তার চেয়ে বেশি পরিমান অর্থ এই কার্ড দিয়ে খরচ করা যাবে না কিংবা উত্তোলন করা যাবে না। ডেবিট কার্ডের মধ্যে রয়েছে অনেক প্রকারভেদ। এর মধ্যে ভিসা কার্ড, কিউ ক্যাশ, ই-ক্যাশ এবং মাস্টার কার্ড অন্যতম।
মাষ্টার কার্ড ঃ
বর্তমানে বিশ্বের প্রায় সকল দেশের মানুষকে সেবা প্রদান করছে মাষ্টার কার্ড। মাষ্টার কার্ডের পথচলা শুরম্ন হয়েছিল ১৯৪০ সালে। হিসাব সংরৰনের জন্য ১৯৫১ সালে নিউইয়র্ক ভিত্তিক ফ্রাংকলিন ব্যাংক মানি রসিদের পরিবর্তে কার্ডের ব্যবহার শুরম্ন করে। এরপর ১৯৬৬ সালে ১৬আগষ্ট কিছু ব্যাংক সম্মিলিতভাবে ইন্টারনেট ব্যাংক কার্ড এসোসিয়েশন তথা আইসিএ প্রতিষ্ঠা করে। এই এসোসিয়েশনের উদ্দেশ্য ছিল আনত্দর্জাতিকভাবে মাষ্টার কার্ডের প্রচলন করা। ফলে ১৯৬৮ সালে মেক্সিকো ও ইউরোপে মাষ্টার কার্ডের ব্যবহার শুরম্ন হয়। ইউরোপে এই কার্ড ইউরো কার্ড নামে প্রচলিত ছিল। এই সময় জাপানেও এই কার্ডের ব্যবহার শুরম্ন হয়। ১৯৭০ সাল নাগাদ আফ্রিকা ও অষ্ট্রেলিয়াসহ বিশ্বের অনেক দেশ মাষ্টার কার্ডের ব্যবহার শুরম্ন করে এবং একই বছর আনুষ্ঠানিকভাবে মাষ্টার কার্ড নামটি সুপ্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮০ সালে এশিয়া এবং লেটিন আমেরিকা, ১৯৮৭ সালে চীন এবং ১৯৮৮ সালে রাশিয়ার মাষ্টার কার্ডের প্রচলন শুরম্ন হয়। বর্তমানে পৃথিবী জুড়ে মাষ্টার কার্ডের শাখা অফিস রয়েছে। নিউইয়র্ক হেড অফিস থেকে এই সকল শাখা অফিস নিয়ন্ত্রন করা হয়।
ভিসা কার্ড ঃ
ভিসা কার্ড হচ্ছে একটি মার্কিন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ভিসা ইনকর্পোরেশন এর একটি পন্য। এই কার্ড বিশ্বের ২০০টিরও বেশি দেশের কনজু্যমার, ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং সরকারকে ক্যাশ অথবা চেক এর পরিবর্তে ডিজিটাল কারেন্সি ব্যবহারের সুবিধা দিয়েছে। ভিসার গেস্নাবাল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে এখন পর্যনত্দ প্রায় ৪.৪ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলার লেনদেন হয়েছে। ভিসা কোম্পানি নিজে কনজু্যমারদেরকে কার্ড ইসু্য করে না। এটি বরং বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে এই কার্ড সরবরাহ করে থাকে।
এটিএম এর মাধ্যমে নগদ টাকা উত্তোলনের নিয়মাবলি ঃ
* কার্ড স্পস্নটে আপনার ডেবিট কার্ড ঢুকান।
* আপনার পিন নাম্বার টাইপ করম্নন। তারপর এন্টার চাপ দিন।
* ক্যাশ উথড্রয়াল বোতাম চাপ দিন।
* স্ক্রীনের অ্যামাউন্ট লেখার পাশের বোতামটি টিপে আপনার এ্যামাউন্ট সিলেক্ট করম্নন।
* আপনার ডেবিট কার্ড সংগ্রহ করম্নন।
* আপনার ডেবিট কার্ড ব্যবহারের প্রতিটি ধাপ ১৫ সেকেন্ডের মধ্যে সম্পন্ন করম্নন এবং এভাবে এটিএম কার্ড ক্যাপচার থেকে বিরত থাকুন।
এটিএম এর মাধ্যমে বিল পরিশোধের নিয়ামাবলি ঃ
* কার্ড সস্নটে আপনার ডেবিট কার্ড ঢুকান।
* এরপর চার সংখ্যার পিন টাইপ করম্নন। তারপর এন্টার চাপুন।
* ইউটিলিটি বিল পেমেন্ট বোতাম চাপ দিন।
* কাঙ্খিত বিলের এ্যামাউন্ট এবং মাস টাইপ করম্নন।
* ভবিষ্যতের জন্য এ্যাডভান্স সিস্নপটি সংগ্রহে রাখুন।
* ডেবিট কার্ড সংগ্রহ করম্নন।
ডেবিট কার্ড ব্যবহারের প্রতিটি ধাপ ১৫ সেকেন্ডের মধ্যে সম্পন্ন করম্নন এবং এভাবে এটিএম কার্ড ক্যাপচার থেকে বিরত থাকুন।
এটিএম ব্যবহার সর্তকতা ঃ
* এটিএম ব্যবহারের সময় চারপাশের পরিবেশ সম্পর্কে সতর্ক থাকুন।
* বুথের ভেতরের চারপাশে কয়েক সেকেন্ডের জন্য তাকিয়ে নিতে ভুলবেন না।
* অন্য কেউ দেখতে পারে, এ অবস্থায় পিন এন্ট্রি দেবেন না।
* টাকা তোলার পর আপনার কার্ড এবং রিসিট নিতে অবশ্যই ভুলবেন না। দ্রম্নত বুথ ত্যাগ করম্নন।
* টাকা গোনার কোন প্রয়োজন নেই। এতে বরং আপনার টাকা অন্যের কছে প্রকাশ হতে পারে।
* সম্ভব হলে আপনার সমসত্দ ট্রানসেকশনের জন্য একটি রেজিষ্ট্রার মেনটেইন করম্নন।
একাউন্ট সুরৰার জন্য ঃ
* প্রয়োজন ছাড়া কখনও আপনার গোপনীয় তথ্য গুলো কাউকে দেবেননা। যেমনঃ একাউন্ট নম্বর, মায়ের নাম, কর্ডের এক্সপায়ারী ডেট, জন্ম তারিখ বা পাসপোর্ট নাম্বার।
* আপনার কার্ড কখনো অন্য কারো কাছে হসত্দানত্দর করবেন না। কখনো এবং কোন অবস্থাতেই আপনার পিন (পাসের্ানাল আইডেন্টিফিকেশন নম্বর) অন্যকে জানাবেন না এমনকি লেনদেন সংক্রানত্দ সমস্যা বা কোন তথ্য অনুসন্ধানের জন্যও কার্ড সেন্টারের কাউকে এই নম্বর বলবেন না।
* আপনার কার্ড নম্বর কখনও ই-মেইল-এর মাধ্যমে প্রেরন করবেন না। ই-মেইল কোন সুরৰিত মাধ্যম নয়।
* আপনার পিন মুখস্থ রাখুন এবং কখনই কার্ড ও পিন এক সাথে রাখবেন না।
* আপনার কার্ড সংক্রানত্দ তথ্য যেখানে লেখা আছে, তালা বদ্ধ অবস্থায় সুরৰিত রাখুন।
* কার্ড বা পিন মেইলার যদি খোলা অবস্থায় বা ছেড়া অবস্থায় পেয়ে থাকেন তাহলে অতিসত্তর নিকটস্থ ব্রাঞ্চ বা কার্ড সেন্টারে যোগাযোগ করম্নন।
* কার্ড পাওয়ার সাথে সাথে কার্ডের পেছনে নির্দিষ্ট জায়গায় সিগনেচার করম্নন।
* এটিএম ব্যবহারের পর কখনই রিসিটটি বুথে ফেলে আসবেন না।
* আপনার কার্ড সবসময় নিরাপদ স্থানে রাখুন এবং নিয়মিত ভাবে আপনার ব্যাংক একাউন্ট চেক করম্নন।
যমুনা ব্যংক লিমিটেড
যমুনা ব্যাংক লিমিটেড এর রয়েছে নিজস্ব কিউ ক্যাশ এটিএম কার্ড যা দিয়ে ২৪ ঘন্টা লেনদেন সম্পন্ন করা সম্ভব। এই কার্ড দিয়ে যেকোন কিউক্যাশ লোগো চিহ্নিত সমসত্দ এটিএম বুথ থেকে টাকা তোলা যায়। বিভিন্ন শপিং মল, রেস্টুরেন্ট এবং জুয়েলারিজ সহ যেকোন পয়েন্ট অব সেলে এই কার্ড ব্যবহার করা যায়। যমুনা ব্যাংক লিমিটেড, এবি ব্যাংক, দি সিটি ব্যাংক, মার্কেন্টাইল ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক এবং ইস্টার্ন ব্যাংকের এটিএম বুথ সমূহ হতে এই কার্ড দিয়ে টাকা তোলা যায়। বর্তমানে দেশের বড় শহরগুলোতে শপিং সেন্টার, ব্যবসায় ও আবাসিক এলাকায় কিউ ক্যাশ এটিএম বুথ রয়েছে। তবে খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে সারাদেশে এসব বুথ ছড়িয়ে দেয়া হবে বলে জানিয়েছে কতৃপৰ।
ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক (ইউসিবি)
ইউসিবি ব্যাংকে রয়েছে স্থানীয় এবং আনত্দর্জাতিকভাবে ব্যবহারযোগ্য ক্রেডিট কার্ড যা বিশ্বজুড়ে পয়েন্ট অব সেল টার্মিনাল এবং এটিএম বুথে এই কার্ড ব্যবহার করা যায়। ইউসিবি ব্যাংকের রয়েছে অনেক ধরনের ক্রেডিট কার্ড। সেগুলো হচ্ছে ভিসা ক্লাসিক বস্নু লোকাল, ভিসা ক্লাসিক বস্নু ডুয়াল, ভিসা ক্লাসিক বস্নু ইন্টারন্যাশনাল, ভিসা গোল্ড লোকাল, ভিসা গোল্ড ডুয়াল, ভিসা গোল্ড লোকাল, ভিসা ক্লাসিক বস্ন্যাংক ডুয়াল, ভিসা ক্লাসিক পিংক লোকাল, ভিসা ক্লাসিক পিংক ডুয়াল, সাপল কার্ড লোকাল ক্লাসিক, সাপল কার্ড লোকাল গোল্ড এবং ইআরকিউ কার্ড। কার্ডগুলোর মধ্যে সর্বনিম্ন বার্ষিক ফি ৮০০ টাকা চার্জ হবে ভিসা ক্লাসিক বস্নু কার্ডের ৰেত্রে এবং সর্বোচ্চ ৭৫ মার্কিন ডলার চার্জ হবে ইআরকিউ কার্ডের ৰেত্রে ইউসিবি ক্রেডিট কার্ড পেতে হলে চাকুরিজীবি এবং ব্যাবসায়ীদের ৰেত্রে ভিন্ন ভিন্ন কাগজপত্র জমা দিতে হবে। চাকুরিজীবিদের ৰেত্রে দুই কপি পাসপোর্ট অথবা স্ট্যাম্প সাইজ ছবি, অতি সাম্প্রতিক বেতনের সার্টিফিকেট অথবা পে সিস্নপ, বিগত ৬ মাসের ব্যাক্তিগত ব্যাংক স্ট্যাটমেন্ট, টিন সার্টিফিকেটের ফটোকপি জমা দিতে হবে। অন্যদিকে ব্যাবসায়ীদের ৰেত্রে দুই কপি ছবি, ট্রেড লাইসেন্সের ফটোকপি, গত ৬ মাসের ব্যাক্তিগত ব্যাংক স্ট্যাটমেন্ট, টিন সার্টিফিকেটের ফটোকপি এবং পাসপোর্টের ফটোকপির প্রয়োজন হবে।
ডাচ বাংলা ব্যাংক লিমিটেড
যখনই বাংলাদেশের কার্ড কালচার বিষয়টি নিয়ে কথা হবে তখনই চোখের সামনে ভাসবে ডাচ বাংলা ব্যাংকের ডেবিট কার্ড। কারনটা খুবই স্বাভাবিক। দেশজুড়ে অসংখ্য এটিএম বুথ এবং সহজ উপায়ে কার্ড সর্বসত্দরের মানুষের হাতে তুলে দেয়াটাই এর অন্যতম কারন। পূরো ঢাকা শহরের আনাচে কানাচে সমসত্দ স্থানেই এই ব্যাংকের বুথ দেখা যায়। এর ফলে ডাচ বাংলা ব্যাংকের কার্ড হোল্ডারগন যেকোন স্থান থেকেই কোন প্রকার বাড়তি ঝামেলা ছাড়াই টাকা উত্তোলন করতে পারেন। তাছাড়াও দেশজুড়ে সমসত্দ পয়েন্ট অব সেলে ব্যবহার করা যায় ডাচ বাংলা ব্যাংকের ডেবিট কার্ড। ডাচ বাংলা ব্যাংকে রয়েছে কয়েক ধরনের ডেবিট কার্ড। তবে যে কেউ ডাচ বাংলা ব্যাংকে একাউন্ট খুললেই তাকে ডিবিবিএল নেক্সাস ক্লাসিক কার্ড দেয়া হয়। এই ব্যাংকের অন্যান্য ডেবিট কার্ডগুলো হচ্ছে নেক্সাস সিলভার, নেক্সাস ভিসা ইলেকট্রন এবং নেক্সাস মাস্টারকার্ড ইন্টারন্যাশনাল। নেক্সাস মাস্টারকার্ড ইন্টারন্যাশনাল দিয়ে এটিএম বুথে দৈনিক সর্বোচ্ছ ৩০০০ মার্কিন ডলার উত্তোলন করা যাবে এবং অন্য সবগুলো কার্ড দিয়ে দৈনিক সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা নগদ উত্তোলন করা যাবে। ডেবিট কার্ডের পাশাপাশি ডাচবাংলা ব্যাংকের রয়েছে নিরাপদ ক্রেডিট কার্ড। বিদেশে ভ্রমনকালে যেসব স্থানে ডাচ বাংলা ব্যাংকের ডেবিট কার্ড ব্যবহার করা যায় না সেখানেও এই কার্ড ব্যবহার করা যায়। ডাচবাংলা ব্যাংক তুলনামূলকভাবে একটু দেরিতে দেশের ক্রেডিট কার্ডের বাজারে প্রবেশ করেছে। তবে সারাদেশে ডাচবাংলা ব্যাংকের অসংখ্য এটিএম বুথ ডেবিট কার্ড ব্যবহারকারীদের কাছে অন্যরকম স্থান করে নিতে সমর্থ হয়েছে এটা অস্বীকার করার কোন উপায় নেই।
মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড
মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড এর কার্ডগুলো হচ্ছে ডুয়াল কার্ড, ডেবিট কার্ড এবং প্রিপেইড কার্ড।
ডুয়াল কার্ডঃ এটি একটি দ্বিগুন সুবিধাসম্পন্ন ক্রেডিট কার্ড যা দেশের অভ্যনত্দরে এবং দেশের বাইরে ব্যবহার করা যায়। এর মাধ্যমে যেকোন পয়েন্ট অব সেলে লেনদেন ও নগদ অর্থ উত্তোলন করা যায়। এটি মার্কেন্টাইল ব্যাংক লিমিটেড এর ভিসা কার্ডের একটি বিশেষ সুবিধা।
ডেবিট কার্ডঃ মার্কেন্টাইল ব্যাংকের একাউন্ট থাকলে একাউন্টের টাকা এই ডেবিট কার্ড দিয়ে উত্তোলন করা যাবে। এই কার্ড দিয়ে বিভিন্ন পন্য ও সেবা ক্রয়ের পাশাপাশি ইউলিটি বিল সমূহ পরিশোধ করা যায়।
প্রিপেইড কার্ডঃ যাদের মার্কেন্টাইল ব্যাংকে কোন প্রকার একাউন্ট নেই তারাও এই কার্ড ইসু্য করতে পারবেন। এই কার্ডে প্রথমে টাকা লোড করতে হবে এবং পরে তা দিয়ে কেনাকাটা করা যাবে অথবা প্রয়োজনে নগদ উত্তোলন করা যাবে। মার্কেন্টাইল ব্যাংকের কার্ড ভিসা লোগো লাগানো সমসত্দ এটিএম বুথে এবং দেশের ৪৫০০ পয়েন্ট অব সেল টার্মিনালে ব্যবহার করা যায়।
দি সিটি ব্যাংক
এই ব্যাংকের রয়েছে ভিসা ইলেক্ট্রন ডেবিট কার্ড যা দিয়ে দেশের অভ্যনত্দরে পাঁচশোর অধিক ভিসা এটিএম বুথে টাকা উত্তোলন করা যায়। এই কার্ড দিয়ে
ডাচ বাংলা ব্যাংকের ৫৮৩টি এটিএম বুথে টাকা উত্তোলন করা যাবে। তবে এৰেত্রে প্রতিটি লেনদেনে ১২ টাকা করে চার্জ দিতে হবে। অন্যদিকে ১১০ টি কিউ ক্যাশ বুথ থেকে টাকা উত্তোলন করতে প্রতি লেনদেনে ১০টাকা চার্জ হবে। যাদের ইতোমধ্যেই সিটি ব্যাংকে সেভিংস, কারেন্ট অথবা স্টান্ডার্ড অ্যাকাউন্ট রয়েছে তারা একটি আবেদনপত্র পূরন করে এই কার্ড পেতে পারেন। অন্যদিকে, দি সিটি ব্যাংক হতে আমেরিকান এক্সপ্রেস এর ক্রেডিট কার্ড ইসু্য করা যায়।
সাউথ ইস্ট ব্যাংক লিমিটেড
সাউথ ইস্ট ব্যাংকে রয়েছে বিশেষ ভিসা ক্রেডিট কার্ড যা স্থানীয় এবং আনত্দর্জাতিক উভয়ভাবেই ব্যবহার করা যায়। সাউথ ইস্ট ব্যাংকের ভিসা ক্রেডিট কার্ড বিশ্বের যেকোন স্থানের ভিসা লোগো সমৃদ্ধ এটিএম বুথে এবং মার্চেন্ট আউটলেটে ব্যবহার করা যায়। এই কার্ড দিয়ে ২০ থেকে ৫০দিন পর্যনত্দ কোন প্রকার সুদ ছাড়া শপিং করা যায়। সাউথ ইস্ট ব্যাংকের যেকোন শাখা অথবা বুথ থেকে ৫০% পর্যনত্দ নগদ উত্তোলন করা যায়। এই কার্ডের স্বত্ত্বাধিকারি একাউন্ট পে কার্ড চেক ইসু্য করতে পারবেন। কার্ডহোল্ডারগন এই কার্ড দিয়ে মোবাইল ফোনের ইন্টারন্যাশনাল রোমিং বিল পরিশোধ করতে পারবেন। ক্রেডিট কার্ডের ট্রান্সেকশন এলার্ট বিল স্ট্যাটাস, ব্যালেন্স অনুসন্ধান, স্ট্যাটমেন্ট স্ট্যাটাস, সর্বনিম্ন বকেয়া বিল, সর্বশেষ লেনদেন অনুসন্ধান সহ গুরম্নত্ব বেশকিছু কাজ মোবাইল ফোনের মাধ্যমে করা যায়। উলেস্নখ্য সাউথইস্ট ব্যাংকের রয়েছে ২৪ ঘন্টা কাস্টমার সার্ভিস ব্যবস্থা।
এনসিসি ব্যাংক লিমিটেড
২০০৫ সালের ২২ আগস্ট ভিসা ক্রেডিট কার্ডের যাত্রা শুরম্ন করে এনসিসি ব্যাংক। এই ব্যাংকের রয়েছে তিন ধরনের ক্রেডিট কার্ড। কার্ডগুলো হচ্ছে ভিসা ক্লাসিক, ভিসা গোল্ড (লোকাল ও গেস্নাবাল)। এনসিসি ক্রেডিট কার্ডের সুদের হার মাসিক ২শতাংশ। প্রতিটি কার্ডের সাথে একটি সাপলিমেন্টারি কার্ড বিনামূল্যে দেয়া হয়। এই কার্ড দিয়ে রোমিং মোবাইল ফোন বিল পরিশোধ করার সুবিধা রয়েছে। এনসিসি ব্যাংক ক্রেডিট কার্ড দেশব্যাপী ৫০০০ বানিজ্যিক আউটলেটে ব্যবহার করা যায়। এসব আউটলেটের মধ্যে রয়েছে হোটেল, রেস্টুরেন্ট, এয়ারলাইন, ট্রাভেল এজেন্ট, শপিংমল, হসপিটাল, জুয়েলারি দোকান, মোবাইল ফোন ও ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার, পেট্রোল পাম্প এবং আরও অনেক কিছু। এনসিসি কার্ড দিয়ে ক্রেডিট লিমিটের ৫০% পর্যনত্দ উত্তোলন করা যায়।
ঢাকা ব্যাংক লিমিটেড
ঢাকা ব্যাংকের এটিএম কার্ড দিয়ে দৈনিক সর্বোচ্চ ৫০,০০০ টাকা পর্যনত্দ উত্তোলন করার সুবিধা রয়েছে। এই কার্ডের রয়েছে মাল্টিপল একাউন্ট একসেস সুবিধা। এই কার্ড দিয়ে রবি, বাংলালিংক, জিপি, সিটিসেল এবং টেলিটক মোবাইল ফোনের বিল পরিশোধ করা যায়। ঢাকা ব্যাংকের কার্ড দিয়ে অর্থ অন্য একাউন্টে ট্রান্সফার করা যায়।
ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড
ইস্টার্ন ব্যাংকের কার্ডগুলো হচ্ছে সিম্পল ক্রেডিট কার্ড। লাইফস্টাইল কার্ড, কুল কার্ড এবং ইবিএল ট্রাবেল কার্ড।
সিম্পল ক্রেডিট কার্ডঃ এই কার্ড ব্যবহারের জন্য শুধুমাত্র একবার বাৎসরিক গ্রাহক ফি দিতে হয়। বছরে নূ্যনতম ১৮ বার লেনদেন করলে পরবর্তী বছরে আর বাৎসরিক ফি দিতে হবে না। ইবিএল ক্রেডিট কার্ড হোল্ডারগন সম্পূর্ন চেক বই সুবিধা ভোগ করতে পারবেন যার মাধ্যমে যে কোন ব্যক্তি অথবা প্রতিষ্ঠানকে টাকা প্রদান করা যায়। ইবিএল এর ক্রেডিট কার্ড দেশজুড়ে ৫০০০ ভিসা আউটলেট এবং বিশ্বজুড়ে ২৪ মিলিয়ন ভিসা আউটলেটে ব্যবহার করা যায়।
ইবিএল ট্রাভেল কার্ডঃ এটি একটি চমৎকার প্রিপ্রেইড কার্ড। এই কার্ড বিশ্বের যে কোন স্থানে ব্যবহার করা যায়। মায়নমারসহ সার্কের অনত্দর্ভূক্ত যেকোন দেশে ব্যবহারের জন্য এই কার্ডে সবের্াচ্চ ১০০০ মার্কিন ডলার লোড করা যায় এবং বিশ্বের অন্যান্য দেশের জন্য সবের্াচ্চ ৩০০০ মার্কিন ডলার লোড করা যায়। সবের্াচ্চ লোডের এই পরিমান প্রতি বছর বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক নির্ধারিত হয়। এই কার্ড দিয়ে ক্রয়ের ৰেত্রে কোন প্রকার চার্জ আরোপিত হয় না।
ইবিএল লাইফস্টাইল কার্ডঃ ইস্টার্ন ব্যাংকে কোন প্রকার একাউন্ট না থাকলেও ১৮ বছরের অধিক বয়স্ক যে কেউ এই কার্ড ইসু্য করতে পারবে। কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিৰার্থীদের জন্য অত্যনত্দ উপকারী এই কার্ড দেশজুড়ে ৮৫টি কিউ ক্যাশ এবং ভিসা এটিএম বুথে ব্যবহার করা যাবে।
ইবিএল ক্যাম্পাস কুল কার্ডঃ এই কার্ডটিও অনেকটা লাইফস্টাইল কার্ডের মতই। তবে কার্ড পাওয়ার জন্য আগ্রহী ব্যাক্তিকে অবশ্যই শিৰার্থী হতে হবে এবং ইবিএল ক্যাম্পাস একাউন্ট খুলতে হবে।
ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডঃ
ন্যাশনাল ব্যাংকে রয়েছে দুই ধরনের কার্ড। কার্ড গুলো হচ্ছে ক্রেডিট কার্ড এবং পাওয়ার কার্ড (ডেবিট কার্ড)।
পাওয়ার কার্ডঃ সংশিস্নষ্ট ব্যাংকে কোন প্রকার একাউন্ট না থাকা সত্ত্বেও ডেবিট কার্ড ইসু্য পদ্ধতি প্রথম চালু করে ন্যাশনাল ব্যাংক। এই কার্ডের নাম পাওয়ার কার্ড। এই প্রিপেইড কার্ডটির বাৎসরিক ফি ২০০ টাকা যা শুধুমাত্র এইচএসবিসি ব্যাংক ছাড়া দেশের সমসত্দ ভিসা ও কিউক্যাশ বুথে ব্যবহারযোগ্য। এই কার্ড দিয়ে ন্যাশনাল ব্যাংকের বুথ থেকে টাকা তুলতে কোন প্রকার চার্জ লাগবে না। কিউ-ক্যাশ নেটওয়ার্কের আওতাধীন যে কোন বুধ থেকে টাকা তুললে ১০ টাকা চার্জ হবে এবং অন্য যে কোন বুথ থেকে টাকা তুলতে ১০০ টাকা খরচ হবে।
ক্রেডিট কার্ডঃ ন্যাশনাল ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ড বিশ্বের অসংখ্য মার্চেন্ট আউটলেটে ব্যবহার করা যায় যার মধ্যে রয়েছে হোটেল, রেস্টুরেন্ট, এয়ারলাইন্স, ট্রাভেল এজেন্ট, শপিং মল, হসপিটাল, ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, জুয়েলার্স, ইলেকট্রনিক্স ও কম্পিউটার শপ। কার্ডের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে ডুয়াল কারেন্সি কার্ড সুবিধা, স্বল্প পরিমান সুদ ও স্বল্প কার্ড ফি। এই কার্ডে কোন প্রকান গোপন খরচ নেই বলে দাবি কর্তৃপৰের। ন্যাশনাল ব্যাংকের বাৎসরিক ফি ২০০০ টাকা এবং আনত্দর্জাতিক গোল্ড কার্ড ফি ৫০ মার্কিন ডলার।
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড
ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড এর ডিপোজিট একাউন্ট আছে এমন যে কেউ এই ব্যাংক এর এটিএম কার্ড পেতে পারে। আগ্রহী একাউন্ট হোল্ডারগন এটিএম একাউন্ট ওপেনিং ফরম পূরন করে ৩০০ টাকা বার্ষিক চার্জ জমা দিয়ে এই কার্ড তুলতে হয়। তবে আবেদনের ৭ দিন পর সংশিস্নষ্ট ব্রাঞ্চ হতে কার্ডের পিন সরবরাহ করা হয় যা ৪৮ ঘন্টা পর ব্যবহার উপযোগী হয়। যেসব এটিএম বুথে ই-ক্যাশ এর লোগো থাকবে শুধুমাত্র সেসব ব্যাংকেই এই কার্ড ব্যবহার করা যাবে। এই কার্ড দিয়ে সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা উত্তোলন করা যায় এবং উত্তোলনকৃত টাকা অবশ্যই ৫০০ টাকা দিয়ে বিভাজ্য হতে হবে। দৈনিক সবের্াচ্চ ২০০০০ টাকা উত্তোলন করা যায়।
শাহাজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড
শাহাজালাল ইসলামী ব্যাংক লিমিটেড এর রয়েছে বেশ কয়েক ধরনের কার্ড। কার্ডগুলো হচ্ছে ভিসা প্রিপেইড কার্ড লোকাল, ভিসা প্রিপেইড কার্ড ইন্টারন্যাশনাল, ভিসা প্রিপেইড কার্ড ডুয়াল এবং সুভিনির কার্ড লোকাল। এই ব্যাংকের ভিসা কার্ডগুলো দিয়ে দৈনিক সবের্াচ্চ চারবার টাকা উত্তোলন করা যাবে, চারবার ব্যালেন্স চেক করা যাবে এবং ২ বার পিন পরিবর্তন করা যাবে। এসব কার্ড দিয়ে ৩০০০০ টাকা উত্তোলন করা যাবে। এসব কার্ড দিয়ে কিউ ক্যাশ, ডিবিবিএল, ব্রাক ব্যাংক ও অন্যান্য ভিসা লেবেল লাগানো এটিএম বুথ হতে টাকা উত্তোলন করা যায়। তাছাড়াও দেশের অসংখ্য দোকান, রেস্টুরেন্ট, ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, সুপারমার্কেট, বুটিক এবং ভিসা ব্যবহার উপযোগী পয়েন্ট অব সেল টার্মিনালে এই কার্ড ব্যবহার করা যায়। ভিসা প্রিপেইড লোকাল, ইন্টারন্যাশনাল এবং ডুয়াল কার্ড শুধু দেশের অভ্যনত্দরেই না দেশের বাহিরেও যেকোন ভিসা লেবেল লাগানো বানিজ্যিক আউটলেট এবং এটিএম এ ব্যবহার করা যাবে।
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক লিমিটেড
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের বিভিন্্ন প্রকার কার্ড এবং সেসব কার্ডের বৈশিষ্টগুলো তুলে ধরার চেষ্টা করছি।
লোকাল গোল্ড ক্রেডিট কার্ডঃ এই কার্ডটি মুলত উঁচুআয়ের মানুষের জন্য সহজে ব্যবহার উপযোগী কার্ড যা দিয়ে নিরাপদে লেনদেন সম্পন্ন করা যায়। এই কার্ড দিয়ে ৫০% ক্যাশ অগ্রিম উত্তোলন করা যায়। বাংলাদেশে মোট ৫০০০ আউটলেট সহ ভিসা লোগো সমৃদ্ধ সকল এটিএম বুথে এই কার্ড ব্যবহার করা যাবে।
লোকাল ক্লাসিক ক্রেডিট কার্ডঃ এই কার্ডটির সমসত্দ বৈশিষ্ট্য লোকাল গোল্ড ক্রেডিট কার্ডের মত হলেও মধ্যম আয়ের মানুষজনও এই কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন।
ভিসা ইলেক্ট্রন ডেবিট কার্ডঃ মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের সেভিংস কারেন্ট অথবা স্ট্যান্ডার্ড যে কোন একাউন্ট থকেলেই এই কার্ড পাওয়া যায়। ব্যাংকটির নিজম্ব এটিএম বুথ না থাকলেও দেশব্যাপী ডাচ বাংলা ব্যাংকের যেকোন বুথে এই কার্ড ব্যবহার করা যায়। এই কার্ডের জন্য প্রথম বছর কোন ফি দিতে হয় না। যেকোন পয়েন্ট অব সেল অথবা ডাচবাংলা ব্যাংক এর বুথে বিনা খরচে এই কার্ড ব্যবহার করা যায়। দেশের প্রায় ৫০০০ শপিং আউটলেটে এই কার্ড ব্যবহার করা যায়।
ইন্টারন্যাশনাল ট্রাভেল কার্ডঃ যারা বিভিন্ন দেশে ভ্রমন করে থাকেন তদের জন্য কার্ডটি ভীষন উপকারি হতে পারে। এই কার্ড বিশ্বজুড়ে ৫৫০০০০টি ভিসা এটিএম বুথে ব্যবহার করা যায়।
ব্রাক ব্যাংক লিমিটেড
ব্রাক ব্যাংকে রয়েছে বেশ কয়েক ধরনের ডেবিট এবং ক্রেডিট কার্ড। ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডগুলো হচ্ছে ভিসা ক্লাসিক, ভিসা গোল্ড এবং ইউনিভার্সাল কার্ড। ব্রাক ব্যাংকের ভিসা ডেবিট কার্ড দেশের যেকোন স্থানে ব্যাংকের নিজস্ব বুথ, ভিসা ও কিউ ক্যাশ লোগো সমৃদ্ধ এটিএম বুথ এবং পয়েন্ট অব সেলে ব্যবহার করা যাবে। এটিএম বুথ এর মাধ্যমে এই কার্ড দিয়ে দৈনিক সবের্াচ্চ ৫০০০০ টাকা উত্তোলন করা যাবে। ব্রাক ব্যাংকের নিজস্ব বুথ থেকে দৈনিক সর্বোচ্চ ৩০০০০০ টাকা এককালিন উত্তোলন করা যাবে। ব্রাক ব্যাংকের ক্রেডিট কার্ডগুলোর মধ্যে ভিসা ক্লাসিক ক্রেডিট কার্ড দেশের অভ্যনত্দরে শুধুমাত্র দেশীয় মুদ্রায় লেনদেন সম্পন্ন করা যায়। এই কার্ডের ক্রেডিট লিমিট ১০০০০ টাকা থেকে ৭৪৯৯৯ টাকা পর্যনত্দ হয়ে থাকে। এদিকে ভিসা গোল্ড ক্রেডিট কার্ডের লিমিট ৭৫০০০ টাকা থেকে শুরম্ন করে ৫০০০০০ টাকা পর্যনত্দ হয়ে থকে। ব্রাক ব্যাংকের ইউনিভার্সাল ক্রেডিট কার্ড বিশ্বের যে কোন দেশে ব্যবহার করা যায়। এই কার্ডের ক্রেডিট লিমিট শর্তসাপেৰে ৩০০০০ মার্কিন ডলার পর্যনত্দ হতে পারে।








June 22nd, 2010 on 11:21 pm
very nice
[Reply]
www.computerbdinfo.blogspot.com Reply:
July 16th, 2010 at 5:48 pm
what is nice? article or card culture?
[Reply]