সাপ্তাহিক ডিজিটাল সময় ও ডেফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ: কার কি করণীয়’ শীর্ষক একটি গোলটেবিল বৈঠক আজ সমপ্রতি দৈনিক আমাদের সময়ের বাংলামোটরস্থ কনফারেন্স সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। গোলটেবিল বৈঠকটির সভাপতিত্ব করেন জনাব সবুর খান-চেয়ারম্যান, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউরিভার্সিটি। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন জনাব ড. লুৎফর রহমান, ডীন-বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তি অনুষদ, ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ও প্রতিষ্ঠাতা চেয়্যারম্যান-কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জনাব স্থপতি ইয়াফেস ওসমান-মাননীয় প্রতিমন্ত্রী, বিজ্ঞান তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি মন্ত্রনালয়।
গোলটেবিল বৈঠকে আরোও উপস্থিত ছিলেন জনাব নাঈমুল ইসলাম খান-সম্পাদক ও প্রকাশক-দৈনিক আমাদের সময়, জনাব হাবিবুল্লাহ এন করিম-প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ এসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেম (বেসিস), জনাব মাহাফুজুর রহমান, নির্বাহী পরিচালক, বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল, জনাব জাকির হোসেন-সিনিয়র মহা-ব্যাবস্থাপক, গ্রিন ডেল্টা হাউজিং লিমিটেড, জনাব লায়ন এমএ বাসার- প্রেসিডেন্ট, বিএসবি ফাউন্ডেশন-জনাব ফাহিম মাশরুর-প্রধান নির্বাহী, বিডিজবস ডটকম, জনাব আক্তারুজ্জামান মঞ্জ-প্রেসিডেন্ট, আইএসপিএবি, জনাব কাউসার উদ্দিন- প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ আইসিটি সাংবাদিক ফোরাম, নাদিম এ চৌধুরী- প্রধান নির্বাহী, ইসলাম গ্রুপ, খন্দকার জসিম উদ্দিন- চেয়ারম্যান, হেরিটেজ পো্রপারটিজ, ম. হামিদ-প্রধান নির্বাহী, আরটিভি, দিলরুবা আক্তার- ব্যাবস্থাপনা পরিচালক, তেষ্টা ড্রিংকিং ওয়াটার, ডা. আসগর-প্রধান নির্বাহী, হোস্টিং হেল্প টোয়েন্টিফোর, তরিক রহমান-গবেষনা সম্পাদক, বিআইজেএফ ও নাজমুল হক শ্যামল, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক, ডিজিটাল সময় প্রমুখ। অনুষ্ঠানের কো-স্পনসর ছিল আলোহা আইশপ ও হেরিটেজ প্রোপার্টিজ। ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট ড্রিম মেকার।
অনুষ্ঠানে ড. লুৎফর রহমান বলেন, ‘ রুপকল্প ২০২১ এর সাথে ডিজিটাল প্রযুক্তির রয়েছে গভীর সম্পর্ক। বর্তমানে দৈনন্দিন ও রাষ্ট্রীয় কর্মকান্ড তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর হয়ে পড়েছে। আগামী দিনে বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ন ব্যাপার হলো ই-গভর্নেন্স, ই-কমার্স, ই-এডুকেশন, ই-মেডিসিন, ই-এগ্রিকালচার, অর্থ্যাৎ তথ্য প্রযুক্তি নির্ভর প্রশাসন। এসব প্রযুক্তি ছাড়া বাংলাদেশকে ২০২১ সালের মধ্যে মাঝারি আয়ের দেশে পরিণত করা সম্ভব হবেনা। সরকারের পাশাপাশি প্রত্যেক ব্যাক্তিকেও ব্যাক্তিগত ভাবে এ রুপকল্প বাস্তবায়নে এগিয়ে আসতে হবে। ইন্টারনেটের সমপ্রসাারণ, স্ব-উদ্যোগে সব রকম তথ্যকেন্দ্র স্থাপন, ওয়েবের সমপ্রসাারন ইত্যাদি সহ নানান ক্ষেত্রে ব্যাক্তিগতভাবেও অবদান রাখা সম্ভব বলে আমি মনে করি।’
স্থপতি ইয়াফেস ওসমান বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার যে রুপকল্প ২০২১ পরিকল্পনা করেছে তা বাস্তবায়নের জন্য অনেক পদক্ষেপ গ্রহন করা হয়েছে। সরকার এ রুপকল্প বাস্তবায়নে বদ্ধ পরিকর। এজন্য সকলেরই সহযোগিতা প্রয়োজন। সরকার ইতিমধ্যে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ঘরে বসে বিভিন্ন ইউটিলিটি বিল পরিশোধ, মোবাইলে দূর্যোগের খবর, ইন্টরনেট ও ইমেইলের সমপ্রসারণ, কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ওয়াইফাই এলাকা স্থাপণ, ১২৮ টি স্কুলে কমঙ্িউটার ল্যাব স্থাপণ, ৬৪ জেলার ওয়েবপোর্টাল তৈরি সহ নানান উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেছে।’
সবুর খান বলেন, ‘আমাদের দেশ ফ্রিল্যান্সিংয়ে সারাবিশ্বের মধ্যে উল্লেখযোগ্য অবস্থানে রয়েছে এটা সত্যিই অনেক সুখকর একটি সংবাদ। তবে দু:খজনক হলেও সত্য ফ্রিল্যান্সারদের টাকা পাওয়ার ব্যাপারে অনেক প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। এ প্রতিবন্ধকতাগুলো যদি আমরা কাটিয়ে উঠতে পারি তবে ফ্রিল্যান্সিং আমাদের দেশের আর্থিক অবস্থার পরিবর্তনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।’







