বর্তমান সরকারের রূপকল্প “ডিজিটাল বাংলাদেশ” ঘোষনা দেওয়ার পর সম্প্রতি দ্বিতীয়বার বাজেট ঘোষিত হয়েছে। গত অর্থ বছরের বাজেটের ধারাবাহিকতায় এ বছরও তথ্যপ্রযুক্তিখাতে সাধারন জনগন থেকে শুরম্ন করে তথ্য প্রযুক্তিবিদ, শিৰাবিদ, ব্যবসায়ীগন এর প্রত্যাশা ছিল অনেক। বাজেট উত্থাপনের পর তথ্য প্রযুক্তিবিদদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। বাজেটে আইসিটি খাতের উন্নয়নে আইসিটি নীতিমালা ২০০৯ এর ৩০৬টি কর্মপরিকল্পনা বাসত্দবায়নের কথা উলেস্ন্যখ করা হয়েছে। এটি বাসত্দবায়িত হলে দেশের আইসিটিখাত আরও কয়েক ধাপ এগিয়ে যাবে। সমমূলধন তহবিলে গতবারের চেয়ে আরও ২০০ কোটি টাকা বেশী বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। সরকারের এই উদ্যোগ প্রশংসার দাবিদার। এই উদ্যোগ বাসত্দবায়নের ৰেত্রে অর্থ ব্যয়ের নীতিমালা ও পদ্ধতির প্রতি সরকার সু দৃষ্টি রাখলে কাজের গতি দ্রম্নত হবে।
এছাড়া বাজেটে হাইটেক পার্ক, ল্যান্ড ডিজিটালাইজেশন, দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবল ইত্যাদি স্থাপন করার কথা বলা হয়েছে, কিন্তু এসব খাতের উন্নয়নে এবারের বাজেটে তেমন কোন সুনির্দিষ্ট বরাদ্দের কথা উলেস্ন্যখ নেই। তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আইসিটি ইনকিউবেটর / হাইটেক পার্ক স্থাপনের জন্য সুনির্দিষ্ট উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।
দেশের সামগ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতির জন্য ইন্টারনেট একটি অন্যতম গুরম্নত্বপূর্ন মাধ্যম। তাই ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথের মূল্য আরও কমানোর পাশাপাশি ইন্টারনেট ব্যবহারের ৰেত্রে ১৫% ভ্যাট উঠিয়ে দিলে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাবে।
এবারের প্রচ্ছদ প্রতিবেদনে ব্যাংক কার্ড কালচার নিয়ে বিসত্দারিত আলোচনা হয়েছে। এছাড়াও রয়েছে নিয়মিত বিভাগ অনলাইন আর্নিং, টিউটোরিয়াল, পস্নাগইন ফর টেক ইউজার, দেশব্যাপি আইসিটি জোন সহ বেশ কিছু প্রযুক্তি প্রতিবেদন।
সবাইকে ধন্যবাদ।







