কারেন্ট নিউজ
   
 
এডভার্টাইজমেন্ট
 
 
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষায় প্রধানমন্ত্রীর গুরুত্বারোপ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, দেশের উন্নয়নের জন্য সরকার শিক্ষা, বিশেষ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ভিত্তিক শিক্ষার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. এম নুরূল ইসলামের নেতৃত্বে আজ এক প্রতিনিধিদল তাঁর কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ কথা বলেন। শেখ হাসিনা বলেন, 'শিক্ষা, বিশেষ করে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ভিত্তিক শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। কারণ দেশের উন্নয়নের একমাত্র উপায় শিক্ষা।' বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ জানান, প্রধানমন্ত্রী যে কোন মূল্যে ক্যাম্পাসে শিক্ষার অনুকূল পরিবেশ বজায় রাখতে তাঁর সরকারের অঙ্গীকার পূন্যব্যক্ত করেন এবং এ ব্যাপারে তিনি শিক্ষকদের সহযোগিতা চান। সাক্ষাতকালে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা প্রসারের লে তার গত মেয়াদের (১৯৯৬-২০০১) সরকার ১২টি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় চালুর জন্য একটি আইন পাশ করে।

ওই সময়ে ৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকান্ডও শুরু হয়, কিন্তু পরবর্তী বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার মতায় এসে দূরভিসদ্ধিমূলক ভাবে এসব বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করে দেয়। পরবর্তীতে বর্তমান সরকার পুনরায় ক্ষমতায় এসে এসব বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজ আবারো শুরু করেছে। শেখ হাসিনা বলেন, দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের ডিগ্রী পর্যপ্ত পড়ালেখা চালিয়ে যাওয়ার জন্য ১ হাজার কোটি টাকার একটি এডুকেশন এসিসট্যান্স ট্রাস্ট ফান্ড গঠন করা হয়েছে। তিনি শিক্ষকদের প্রতি তাদের নিজস্ব এলামনাই এসোসিয়েশন ও সমাজের বিত্তবান অংশের কাছ থেকে এই ট্রাস্ট ফান্ডের জন্য অনুদান সংগ্রেহের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, অনুদানের এই অর্থ করের আওতামুক্ত থাকবে। প্রধানমন্ত্রী মওলানা ভাসানীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি মজলুম জননেতার নামে স্থাপিত বিশ্ববিদ্যালয়টির উন্নয়নে সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এ সময় প্রতিনিধি দলের সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সমস্যা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করে। প্রধানমন্ত্রী ধৈর্য সহকারে তাদের কথা শোনেন এবং তিনি এ বিষয়গুলো দেখবেন বলে আশ্বাস দেন।

প্রতিনিধি দলের সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার গতিশীল ও বিচক্ষণ নেতৃত্ব এবং উচ্চ শিক্ষার উন্নয়নে তাঁর গৃহীত বিভিন্ন পদেপর ভূয়সী প্রশংসা করেন। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যা সমাধানে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়ার জন্যও তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসা করেন। তারা জানান, আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে তাল মেলাতে এমবিএসটিইউ-তে ক্রিমিনোলজি ও পুলিশ সাইন্সসহ বেশ কয়েকটি নতুন বিভাগ খোলা হয়েছে। এ সময় তারা সদ্যসমাপ্ত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে শান্তি মডেল উপস্থাপন ও সাউথ সাউথ এওয়ার্ড লাভের জন্য প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান। প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব শেখ ওয়াহিদউজ্জামান, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের সচিব মোল্লা ওয়াহিদুজ্জামান এবং প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
 


এডভার্টাইজমেন্ট